ইরান–ইসরায়েল সংঘাত: হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উত্তেজনা, জ্বালানি বাজারে প্রভাব ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা টানা ১৬ দিনে গড়িয়েছে। চলমান এই সংঘাতের প্রভাবে ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং অনেক দেশে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ইরান ঘোষণা দিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ চলাচল করতে দেওয়া হবে না। বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সেখানে জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজন হলে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ ও সামরিক শক্তি মোতায়েন করা হবে। শনিবার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ ট্রাম্প লিখেছেন, তিনি আশা করছেন চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তবে ট্রাম্পের এই আহ্বানে এখন পর্যন্ত শক্তিশালী দেশগুলো প্রকাশ্যে তেমন সাড়া দেয়নি। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ওয়াশিংটনে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র সিএনএনকে বলেন, চীন দ্রুত এই সংঘাতের অবসান দেখতে চায়। তবে ট্রাম্পের আহ্বানে তারা সাড়া দেবে কি না—সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র জাপানও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরে বিষয়টি আলোচনায় আসতে পারে। অন্যদিকে ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা আপাতত হরমুজ প্রণালিতে কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে না। একইভাবে দক্ষিণ কোরিয়াও ট্রাম্পের আহ্বানে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়লে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। — Post navigation নেতানিয়াহু যদি এখনও জী’বিত থাকেন, আমরা তাকে খুঁজে বের করব”— হরমুজ প্রণালিতে যু’দ্ধজাহাজ পাঠাতে নারাজ জাপান