জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও Shafiqur Rahman–এর অনুমতি ছাড়াই তার দপ্তর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানোর ঘটনায় তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি স্পষ্ট করেন দলটির সেক্রেটারি Mia Golam Parwar। তিনি জানান, মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সংসদ সদস্য Mir Ahmad Bin Kasem Arman–কে।

দলের বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যমে আলোচিত ঘটনাটি প্রায় দুই সপ্তাহ আগের। তখন অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তিনি চিঠি পাঠানোর বিষয়টি জামায়াত আমিরকে জানিয়েছিলেন, তবে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেছিলেন। পরে যাচাই করে দেখা যায়, চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে আমিরকে যে তথ্য দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবের সঙ্গে মিলছিল না।

বিশেষ করে চিঠিতে উল্লেখিত ‘মন্ত্রীর পদমর্যাদা’ চাওয়ার বিষয়ে জামায়াত আমিরের কোনো অনুমোদন ছিল না বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পরপরই Shafiqur Rahman দ্রুত ব্যবস্থা নেন এবং অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানকে ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর ঢাকা–১৪ আসনের সংসদ সদস্য Mir Ahmad Bin Kasem Arman–কে বিরোধীদলীয় নেতার নতুন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

দলটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, বিষয়টি পরিষ্কার করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করা হয়। তাকে জানানো হয় যে ওই চিঠি সম্পর্কে জামায়াত আমির আগে থেকে অবগত ছিলেন না। পাশাপাশি আগের উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দেওয়া এবং নতুন উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়টিও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। এর ফলে বিষয়টির সমাধান তখনই হয়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *